IJMRR - International Journal of Multidisciplinary Research & Reviews
Int. J. Multidiscip. Res. Rev.
DOI Prefix: 10.56815
I J M R R
Int. J. Multidiscip. Res. Rev.

International Journal of Multidisciplinary Research & Reviews

Peer Reviewed | UGC Compliant | High Impact Factor | Scientific Journal

ISSN: 2945-3135 | High Scientific Impact | UGC-CARE Followed
IJMRR - International Journal of Multidisciplinary Research & Reviews

International Journal of Multidisciplinary Research & Reviews

Peer Reviewed · UGC Compliant · High Impact Factor · Scientific Journal

ISSN: 2945-3135 | High Scientific Impact | UGC-CARE Followed
DOI DOI Prefix: 10.56815
Vol. 5 (2026) No. 3: March (2026)

বৈদিক সংহিতা ও বিশ্ব ঐকতানতার সুর (The Vedic Samhita and The Melody of Universal Harmony)

দীপঙ্কর বর্মন ( Dipankar Barman )

সংক্ষিপ্তসার: বেদ ভারতীয় সমাজ, সংস্কৃতি ও সংস্কারের কেন্দ্রবিন্দু ও অখিল ধর্মের আধারের মুলভিত্তি। যার মাধ্যমে প্রতিধ্বনিত ‘বসুধৈব কুটুম্বকম্’ যা সমগ্র বিশ্বচরাচর জীবজগৎকে একটি পরিবার প্রদান করে। এই শাস্ত্রটি সমগ্রতার মধ্যে একাত্মতা, সৎ হতে সত্যের অনুসন্ধান ও দার্শনিক ভিত্তির কেন্দ্রবিন্দু। এই জগতের সর্বপ্রকার সুখ ও দূঃখের প্রতিচ্ছবি ব্যক্তির জীবনে চিত্র বা সংস্কার রেখে যায়। এই চিত্র বা সংস্কারই ব্যক্তির চরিত্র। তেমনি বৈদিক সংস্কারের ভিত্তিতে আর্যধর্ম প্রতিষ্ঠিত। ধর্মের গোড়ামি ও কুসংস্কারের স্পর্শ থেকে মুক্ত আর্যসংস্কৃতি। সামাজিক ও মানবিক কল্যানের সার্বভৌম জ্ঞানের অমৃত বাণী, বিশ্বের ঐকতানতার সুরের গীতি ‘যত্র বিশ্বং ভবত্যেকনীড়ম্’ ঋষিকণ্ঠে ধ্বনিত হয়েছে। সমগ্র বিশ্বজগৎ এই বিষয়ে অবগত যে অতি প্রাচীনকালের মিশরীয়, সুমেরীয় ও মায়াসংস্কৃতির অবক্ষয়ের অনর্থের কারণ অসাম্য ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা। রোমান ধর্মের উত্থানে অন্যধর্মের পতন নিশ্চিত করে । কিন্তু আর্যধর্মে এই ধ্বংসের বিপরীত উপনিষদের ত্যাগের ভাবনার বিকশিত বাণী- ‘মা গৃধঃ কস্যস্বিদ্ ধনম্’ । অর্থাৎ কোনরূপ ধনের আশা না রেখে ত্যাগের দ্বারা ভোগ সাধন করো। বর্তমানে বহির্বিশ্বের দিকে দৃষ্টিনিক্ষেপ করলে দেখাযায় ধর্মে ধর্মে হানাহানি ও দখলমূলক প্রবৃত্তি। যার স্থান ভারতীয় ধর্মশাস্ত্রে বিরল। এই অর্থেই সর্বত্র শীর্ষস্থান অধিকার ও সর্বজন স্বীকৃত হয়েছে আর্যধর্ম। সুপ্রাচীন কালের বৈদিক সমাজের সংস্কার ও সংস্কৃতি কি পারবে বিশ্বভ্রাতৃত্বের ঐক্যবদ্ধরূপ ঐক্যমঞ্চের বার্তা প্রেরণ করতে? বৈদিক ঋষির মুখনিসৃত সংজ্ঞানসূক্ত, পৃথিবীসূক্ত এগুলির মন্ত্ররাশি ঐকতানতার সুরে গীত একসাথে চলা একসাথে বলার ইশারা কি বিশ্বের সংযোগ সাধন ঘটাতে সক্ষম? সেই ঐকতানতার উদ্দেশ্য চরিতার্থে বিশ্বের দরবারে বৈদিক সংস্কৃতি ও ভারতীয় ঋষির কণ্ঠধ্বনি- ‘কেবলাঘো ভবতি কেবলাদি’ এই সহমর্মিতা আত্মতৃপ্তির ঊর্ধে মানবকল্যাণের বার্তা প্রেরণে সক্ষম। যা বিশ্বের সকল ধর্মাবলম্বির কাছে শ্রেয় অর্থে গৃহিত হয়েছে। এই মর্মে শাস্ত্রের গৌরবে পুনরায় ভারতবর্ষ বিশ্বগুরুর সর্বচ্চ আসনে আসিন হয়ে রবে।

Keywords:
মূলশব্দ: বেদ সংস্কৃতি আর্য পুরুষার্থ হিরণ্যগর্ভ আত্মা বিশ্বব্রত একতানতা।